Durga Vahini

Bajrang Dal had gained the approbation throughout the country on account of eligibility, as regards various dimension of Shriram Jnmabhumi Mukti Andolan. As a result of its dynamic contribution, the neo-youths from all over the country got attracted towards the VHP (VHP Bengal). The youths in thousands have joined the Bajrang Dal in different in different parts of country. Similarly the girls also were attracted towards the VHP. With a view to kindle a sense of security, Sanskarand dynamism as also to solve various problems pertaining to them,the VHP founded an independent organisation of Hindu Yuwatis in the name of Durga Vahini on Ashwin Shukla Ashtami (Durga-Ashtami) of Samwat 2041 (1984-84). The sisters between 15 to 35 years can join Durga Vahini. Durga Vahini is an unequalled organisation of Hindu Yuwatis, which is committed to protection of Rahtra-Dharma and Sanaskriti through bringing about a renaissance in the Hindu society with service, security and sanskars as its motto.

Durga Vahini is a dynamic voluntary organisation of Hindu Yuwatis. The centre of strength or energy of any nation is its youth force.Because, it is this youth power alone that takes the society and nation to the acme of glory, even at the cost of their lives. The Durgas of Durga Vahini had to ceaselessly work for the nation. They will have to adopt different programmes to create various virtues like awakening, unity, valour etc. among them. The image of Durga Vahini should be of an organisation that strives for the security of society and imparts Sanskars.

দুর্গা বাহিনী

আদর্শ হিন্দু পরিবার ব্যাক্তি ও সমাজের মধ্যে সেতু বন্ধন ঘটায়। আমাদের সমাজ ব্যবস্থা ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়,সমাজকেন্দ্রিক। প্রত্যেক ব্যাক্তিকে পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে সমাজ ও রাষ্ট্রের কাজও করতে হয়।

প্রথমটিই হলো ধর্ম এবং শেষে মোক্ষ। অর্থ ও কাম রয়েছে এই দুইয়ের মাঝে। চিরকাল আমাদের সমাজ ছিল ধৰ্মভিত্তিক এবং আজও তা আছে। এজন্যই বহুবার বিদেশীদের দ্বারা আক্রান্ত হলেও আমাদের জাতি -ধর্ম-অস্তিত্ব বজায় রেখেছে। একটি পরিবারের প্রতিটি সদস্য একে অন্যের সাথে স্নেহ ও বিশ্বাসের বন্ধনে বাঁধা থাকলে পরিবারটি সুখী হয়। পরিবার সুখী হলে সমাজও সুখী,সুস্থ-সবল হয়ে ওঠে। পরিবারের অধিষ্ঠাত্রী হলেন বাড়ির বধূ।গৃহের স্ত্রী যদি সক্ষম হন ও বাড়িতে যদি তার মর্যাদা থাকে,তবে সেই পরিবার সুখী হয়। বাড়ির পুরো দায়িত্ব থাকে স্ত্রী-এর উপরে, মায়ের উপরে। বাড়ির বয়স্ক মানুষেরা, বাচ্চারা খুশী থাকলে গোটা পরিবার সুখ অনুভব করে। পরিবার সুখী থাকলে সমাজ ও রাষ্ট্র সমৃদ্ধ থাকে।

বাড়িতে প্রতিটি সদস্যকে নিজের কর্তব্য সুষ্ঠভাবে পালন করতে হয়।পুরুষ বাড়ির বাইরে চাকরি-ব্যবসা ইত্যাদি করে অর্থপার্জন করে আনেন।গৃহিণী সেই অর্থের সদুপযোগ করে সংসার চালান।তারই মধ্য থেকে আবার কিছু কিছু সঞ্চয়ও করেন।বড়দেরকে সম্মান, ছোটোদের স্নেহ,যুবকদের উৎসাহ দান,স্ত্রীলোকের প্রতি মাতৃভাব পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অপার বিশ্বাস ও ভালোবাসা ,শাশুড়ি-বউয়ের মিল হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।পরিবারকে সুখী করবার জন্য যিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন ,বরাবর কর্তব্য পালন করে গেছেন,সেই শাশুড়িমা নিজের মায়ের মতোই পূজনীয়া ও সম্মানীয়া।শাশুড়িও যদি নিজের ছেলের বউয়ের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করে তবে বহু পরিবার নানাবিধ সমস্যা ও কোন্দল থেকে কয়েক যোজন দূরে থাকবে ।একটু খানি বিচার বিবেচনা ও একটুখানি ত্যাগ স্বীকার করলে গৃহকে স্বর্গে পরিণত করা সম্ভব।

পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল পরিবারের সংস্কার।পূর্বে বাড়িতেই মানুষ প্রয়োজনীয় সংস্কার ঠাকুরদা-ঠাকুরমা ,মা-বাবা,কাকা-কাকিমা ,জেঠা-জেঠি, মামা-মামী,মেসো-মাসী,পিসির কাছ থেকেই শিশু সরলভাবে সমস্ত সদগুন অর্জন করত ।কুলাচার-ঐতিহ্য ইত্যাদিও এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে আসত।মানুষের সঙ্গে আচার-ব্যবহার, সমাজের রীতিনীতি, উৎসবের আয়োজন, ধর্মবিশ্বাস সব কিছুই শেখাত পরিবার।

বাড়ির বয়স্ক মানুষেরা নিজেদের জীবনের অভিজ্ঞতার কথা শুনিয়ে পরিবারের কল্যাণ করতেন।বাড়ির কারও নৈরাশ্য, দুঃখ বা নিরুৎসাহ এলে বড়রা তাকে সামলে নিতেন।এজন্য তখন আত্মহত্যার মতো ঘটনা এত ঘটত না।

মেয়েদের প্রতিটি বাড়িতে মেয়ে কিংবা বোনের দৃষ্টিতে দেখা হত।সারা বছরে মানুষ আত্মীয়-বন্ধুদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য কিছুটা সময় বের করে নিতেন

,সেখানে গিয়ে সকলের খবরাখবর নিয়ে নিজের বাড়িতে আসবার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে যেতেন।এতে স্নেহ ভালোবাসা বাড়ত,মানুষ একে অন্যের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়ে উঠতেন।এমন অনেক রীতি রেওয়াজ ছিল যা সামাজিক বন্ধনগুলিকে সুদৃঢ় রাখত।

সময়ের সাথে সাথে পরিস্থিতি বদলেছে।এখন নগরায়ন চলছে।গ্রাম থেকে মানুষ শহরে চলে আসছেন।প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিত্য নতুন জিনিসের উদ্ভাবন করা হচ্ছে ।স্বাধীনতার পরে দেশের উন্নয়ন হয়েছে,কিন্তু পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণকেই উন্নয়ন বলে মনে করা হয়েছে।মানুষ অতীতকে ভুলে গেছে,পরিবার ছেড়ে ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে এবং এতে সবচেয়ে ক্ষতি হয়েছে পরিবার নামক প্রতিষ্ঠানটির।

যৌথ পরিবার ভেঙে গেছে, বৃদ্ধাশ্রম বাড়ছে,শিশুপালন কেন্দ্র (Day care) বাড়ছে।বাচ্চারা আর ঠাকুরদা-ঠাকুরমা কোলের ছায়া পায় না।মানুষের আতিথেয়তা কমে গেছে।আত্মীয় স্বজনের জায়গা নিয়েছে বন্ধুরা।ফ্যাশন ও অন্ধ অনুকরণের ফলে বেশ -ভূষা ও ভদ্রতা-বিজ্ঞতার উপরে বিপরীত প্রভাব পড়েছে।যে কোনো দেশের সংস্কৃতি সে দেশের মহাপুরুষ ,ইতিহাস ,ধর্ম,

মান্যতা,অতীত ,ভৌগোলিক বিস্তার ইত্যাদির উপরে নির্ভর করে।এই সব মিলে মিশেই দেশটির সংস্কৃতি নির্মিত হয়।

যখন কোনো দেশের সমাজ নিজের সভ্যতা-সংস্কৃতি ত্যাগ করে অন্য কোনো দেশের সভ্যতা -সংস্কৃতি গ্রহণ করে,তখন তার অবস্থা হয় , না এদিক না ওদিক কার এমন।

অন্ধ অনুকরণ করলে মানুষ প্রতিটি পদে হোঁচট খায়।একজনের ‘এ’ গ্রপের রক্ত অন্যের ‘বি’ গ্রুপের দেহে প্রবেশ করলে যা অবস্থা হয়,আমাদের সমাজের অবস্থা এখন তেমন হয়েছে।

আজ আমরা নানাবিধ পারিবারিক সমস্যায় ভুগছি।যারা বুঝতে পারছেন যে,এর মূলে রয়েছে অন্ধ অনুকরণ ,তারা পুরোপুরি ইউ টার্ন নিচ্ছেন ।এখনও বিরাট কিছু ক্ষতি হয়ে যায়নি।

যেটুকু ক্ষতি হয়েছে ,অনিষ্ট হয়েছে,তাকে ঠিক করে নেওয়ার সময় আছে।আর এই কাজ আমাদের মা -বোনেরাই একমাত্র করতে পারেন।ভারতীয় মডেলের উন্নয়নই পারে আমাদের সুখী করতে,এ কথাটি মা-বোনদের বুঝতে হবে।

এমনিতেও আমাদের ধর্মকে ধরে রেখেছেন আমাদের মা -বোনেরা।আজ আমাদের চেষ্টা করতে হবে যাতে আমাদের ধর্মভিত্তিক জীবনযাত্রা ঠিক মতো চলতে থাকে।তাদের মান -সম্মান রক্ষা ঠিক ভাবে হয়।পুরো বাড়ি সামলানো ,বাচ্চাদের লালন পালন,বয়স্কদের সেবা ও এমন আরো অনেক কাজ করে তারা গৃহকে জীবন্ত করে রাখেন।তাদের অনেক কাজ ,যার সাধারণ দৃষ্টিতে কোনো মূল্য নেই,প্রকৃতপক্ষে অমূল্য। সেই মা-বোনদের প্রতি প্রেম ও সম্মানই সে সবের মূল্য ।আর তাঁদের এর বেশী আর কিছু প্রয়োজন নেই।আমাদের মা,পরিবারের গৃহিণীরা যদি সুখী থাকেন,আনন্দিত থাকেন,তবে গোটা পরিবার সর্বদা পরিপূর্ন ও সুখী থাকবে।